নিজস্ব প্রতিবেদক : কুষ্টিয়া সুগার মিলে গত মৌসুমের(২০১৯-২০) উৎপাদিত ও গুদামজাত ১২১ মে:টন চিনির মধ্যে ৫২ মে:টন চিনি ঘাটতির অভিযোগে দায়িত্বরত গুদাম রক্ষক ফরিদুল হককে বরখাস্ত করেছেন মিল কর্তৃপক্ষ। গত বৃহষ্পতিবার দুপুরে গুদামে রক্ষিত মালামাল নিরীক্ষণ শেষে প্রাপ্ত প্রাথমিক তথ্যে সত্যতা পাওয়ায় গুদাম রক্ষককে বহিষ্কার সহ সমস্ত মালামাল পূনরায় নিরীক্ষা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে দবি করেন চিনিকলে দায়িত্বরত ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুর রহমান খান। বিষয়টি চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের সদর দপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে, তবে আইন শৃঙ্খল্ াবাহিনীকে জানানো হয়নি বলে স্বীকার করেন। তিনি জানান, গত ২জুন তিন সদস্যের একটি টিম রুটিন ওয়ার্কের অংশ হিসেবে গুদামের মালামাল নিরীক্ষা করেন এবং সেখানে ৫২ মে:টন চিনি কম পেয়েছেন বলে আমাকে রিপোর্ট প্রদান করলে গুদাম থেকে চিনি ঘাটতির বিষয়টি চোখে পড়ে।

 

তবে এই চিনি ঘাটতি বা খোয়া যাওয়ার ঘটনায় প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে যেখানে একজন কর্মচারীকে বরখাস্তের ঘটনা ঘটেছে বলে মিল কর্তৃপক্ষের এই দাবিকে রহস্যজনক বলে আখ্যা দিয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সাব্বিরুল ইসলাম বলেন, কুষ্টিয়া চিনি কলের গুদাম থেকে চিনি খোয়ানো বা চুরি বিষয়ে পুলিশকে কিছুই জানান নি কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ। সেখানে সত্যিই যদি সরকারী মালামাল চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কাউকে চিহ্নিত করা হয় তাহলে তাকে শুধু বহিস্কারই নয় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদে থাকার কথা।

উল্লেখ্য বার্ষিক উৎপাদনে কয়েক বছর ধরে লোকসানের মুখে পড়াই গত আখ মাড়াই মৌসুমে সারাদেশে বন্ধ হওয়া ৯টি মিলের মধ্যে কুষ্টিয়া চিনিকলও রয়েছে। এই কারখানা সংশ্লিষ্ট শ্রমিক কর্মচারী, ্আখচাষী ও এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটি এখন কেবলই লুটপাটের প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে। দ্রুত সরকার এর কোন বিহিত ব্যবস্থা না করলে খুব শীঘ্রই এর অস্তিত্ব পর্যন্ত বিলিন হয়ে যাবে লুটপাটকারীদের আগ্রাসনে।

 

error: Content is protected !!