নাঈম ইসলাম: সম্প্রতি এ বছর মাত্রাতিরিক্ত খরার কারনে খুলনা বিভাগের বিভিন্ন অন্চল সহ বিশেষ করে কুষ্টিয়া এলাকার পাট চাষিদের পাট পচন প্রক্রিয়াই পানি সংকট প্রকট আকার ধারন করেছে। ইতিপূর্বে অত্র এলাকার চাষিরা পাট পচন প্রক্রিয়ায় যে সমস্ত পুকুর,ডোবা,নালা,খাল ব্যবহার করতো। বর্তমানে তা উন্নত প্রযুক্তির মাছ চাষ উদ্ভাবনের ফলে সেগুলো মৎস্য খামারে রুপান্তরিত হয়েছে। ফলে অত্র এলাকার বিপুল পরিমান পাট চাষিরা পড়েছে ব্যপক পানি সংকটে। অধিকাংশ চাষিরা পাট কাটার পরে পানিতে জাগ দিতে না পারায় কাচা পাটগুলো রোদে পুড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে করোনা দুর্যোগ কালীন সংকটে অতি মুল্যবান এই ফসলটি চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাওয়াটা কোন ভাবেই চাষিরা মেনে নিতে পারছেন না। কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার হরিনারায়নপুর ইউনিয়নের বেড়বাড়াদী গ্রামের পাট চাষি আজিজুল বলেন,জাগের অভাবে অমার কেটে রাখা পাটগুলো রোদে পুড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জাগ না দিতে পারলে বউ ছেলে মেয়ে নিয়ে চলব কিভাবে। একই গ্রামের চাষি মন্টুমিয়া বলেন,এই মৌসুমের একমাত্র ফসল আমার এই পাটগুলো। জাগ না দিতে পারলে আমি শেষ হয়ে যাব। রবি বার্তার এক মুঠোফোন সাক্ষাতে হরিনারায়নপুর ব্লকের সহকারী কৃষি অফিসার আব্দুল মান্নান জানান,গত বছর হরিনারায়নপুর ইউনিয়নে ৫০ হেক্টর জমিতে পাট উৎপাদন হয়েছিল। পাটের দাম ক্রমাগত ভাবে বৃদ্ধি পাওয়াই এ বছর এখানে ৮০ হেক্টর জমিতে পাট উৎপাদন হয়েছে। এ বিষয়ে সুশীল সমাজ মনে করেন,জিকে ক্যানেলের মাধ্যমে পানি উন্নয় বোর্ড যদি পানি সর্বরাহ করে, তাহলে বাংলাদেশের সোনালী আশ নামে ক্ষ্যত,অন্যতম বৈদেশিক রপ্তানিকারক কৃষি দ্রব্য পাট শিল্প সোনালী আশের রঙ্গে দেশকে আবার রাঙ্গিয়ে তুলবে।

error: Content is protected !!