নিজস্ব প্রতিবেদক : সৈয়দা রাশিদা বারী একজন বহুমাত্রিক লেখক। যাঁর রচনার পরিমাণ বিপুল। তিনি একাধারে কবি, কথাশিল্পী, সাংবাদিক ও গীতিকার। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষক এবং বিজ্ঞানী। মা বাবার পরিসরে ভাই-বোন সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার প্রবক্তা। নারীর ক্ষমতায়ণ মূল্যায়ণ ও বাস্তবায়নে পুত্র-কন্যাকে আলাদা দেখেন না বিশেষ করে মা-বাবার ঘরে প্রাপ্ত অংশ অর্থ-সম্পদ ও অধিকারের ক্ষেত্রে। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা: ১শতটি। সাহিত্য-গবেষণাসহ প্রকাশের পথে রয়েছে আরো অন্তত ৩০টি। জন্ম: সংস্কৃতির রাজধানী কুষ্টিয়ায়। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার ও চলচ্চিত্রের গীতিকার। সম্পাদক-প্রকাশক জাতীয় সচিত্র মাসিক স্বপ্নের দেশ, ঢাকা। সাংবাদিকতায় দৈনিক আজকের সংবাদ এর বিশেষ প্রতিনিধি। দৈনিক জনপদ এর সাবেক বিশেষ সংবাদদাতা। দৈনিক আল আমীন এর বিভাগীয় সম্পাদক/নারী ও শিশু বিভাগের প্রধান এবং কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি ছিলেন। মাসিক ডাকপিয়ন (ঢাকা) এর সাবেক চীফ রিপোর্টার এছাড়াও পূর্বে অন্যান্য দৈনিকে ছিলেন।
সাংগঠনিক: প্রতিষ্ঠাতা প্রধান ও ভূতপূর্ব সাধারণ সম্পাদক: বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ (কুষ্টিয়া); প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি: বাংলাদেশ ভাষাসৈনিক প্রজন্মলীগ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ; প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি: বাংলাদেশ আধুনিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ; প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সদস্য: ড. মযহারুল ইসলাম স্মৃতি পরিষদ (ঢাকা); সাবেক সহ-সম্পাদক: বাংলাদেশ জাতীয় লেখক ফোরাম; বিভাগীয় সচিব: জাতীয় গীতি কবি পরিষদ; নির্বাহী সদস্য: বাংলাদেশ টেলিভিশন শিল্পী সমিতি; প্রাক্তন নির্বাহী সদস্য: জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কেন্দ্রীয় পরিষদসহ ইত্যাদি।
স্থায়ী সদস্য: বাংলা একাডেমী, বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ (ঢাকা), লালন একাডেমী, শিল্পকলা একাডেমী, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (কুষ্টিয়া), বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন, সার্ক কালচারাল ফোরাম (ভারত)। এছাড়াও জাতীয় -আন্তর্জাতিক অসংখ্য সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদ ও আজীবন সদস্য হিসেবে রয়েছেন।
সম্মাননা/পুরস্কার: বাংলাদেশ জাতীয় লেখক ফোরাম (ঢাকা) বেগম রোকেয়া পদক; বাংলাদেশ লেখিকা সংঘর (ঢাকা) সংবর্ধনা;  বাংলাদেশ কবিতা সংসদ (পাবনা) বাংলা সাহিত্য পদক; সুললনা স্বাধীনতা পদক (রাজশাহী); নোঙর সাহিত্য পুরস্কার (ঈশ্বরদী); সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী সাহিত্য পুরষ্কার (সিরাজগঞ্জ); আরশী নগর বাউল সংঘ (রাজবাড়ী) সাহিত্য পুরষ্কার; জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ও শতাব্দী সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রের সম্মাননা; কুষ্টিয়া উন্নয়ন পরিষদ এর স্বর্ণপদক ও নাগরিক সংবর্ধনা, সাপ্তাহিক বিচিত্র সংবাদ পত্রিকার সম্মাননা; কবি বে-নজীর আহমদ, জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটি, বাউল তরী, বন্ধন কালচারাল ফোরাম কতৃক সাহিত্য পুরষ্কারসহ বাংলাদেশ থেকে ৫০টির অধিক। এছাড়া ভারতের আন্তর্জাতিক আলো আভাষ, আন্তর্জাতিক বিশ্ব বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন এর আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরষ্কার ‘এবং বাউল’ পত্রিকা ও ‘কুশুমে ফেরা’ সংস্থা হতে নেতাজি সুবাস স্মৃতি পুরষ্কারসহ  ভারতেরও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান থেকে ১৩টি সংবর্ধনা ও সাহিত্য পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন।
তিনি একজন কথাশিল্পী হিসাবে সাহিত্যের সর্বাঙ্গনে অপরিসীম ভুমিকা থাকায় ২০০৬ইংসালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী “পাবলিক লাইব্রেরী” কর্তৃক গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠানে রৌপ্যের সম্মাননা স্মারক “সাহিত্যরত্ন” উপাধিস্বরূপ পেয়েছেন। ২০১৭ইং সালে ঈশ্বরদী-পাকশী রূপপুর “সুরের আড্ডা” শিক্ষা সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠন কর্তৃক “কবিরত্ন” উপাধি পেয়েছেন। ২ আগষ্ট ২০১৯ইং সালে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটারভুক্ত নাট্যদল “বাংলা থিয়েটার- কুষ্টিয়া” কর্তৃক জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত অনুষ্ঠানে লেখালেখিতে বঙ্গবন্ধুর উপর ব্যাপক অবদান থাকায় “সৈয়দা রাশিদা বারী- সাহিত্য পদ্মভুষণ” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ইং কুষ্টিয়া কুমারখারীর সান্দিয়াড়া টিচার্চ ক্লাব ও ডি কে এস এফ পাঠাগারের উদ্যোগে জঙ্গী-সন্ত্রাস মাদক মুক্ত সমাজ গঠনে পাঠাগারের ভুমিকা শীর্ষক সেমিনার ও গুনীজন সম্মাননা পালন অনুষ্ঠানে টিচার ক্লাব ও পাঠাগার কর্তৃক সাহিত্য সাধনায় দূষণ মুক্ত সমাজ ব্যবস্থা ও স্বদেশীয় উন্নয়নের উপর একনিষ্ঠ অবদান থাকায় ১শতটি গ্রন্থের প্রণেতা লেখক এবং ৪হাজার গানের রচয়িতা-গীতিকার কুষ্টিয়ার মেয়ে “সৈয়দা রাশিদা বারী-কাব্যরতœ” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন। ২৫আক্টোবর ২০১৯ইং সালে বিশ্ব সাতারু কবি ও গীতিকার প্রয়াত: শ্রী কানাই লাল শর্ম্মার গত ১৯আগষ্ট ২০১৯ইং মহা প্রয়ানের শোক বার্তা ও স্মৃতি চারণ এবং বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার ৫০বছর পূর্তির প্রস্তুতি কমিটি গঠন সেমিনার ও গুনীজন সম্মাননা- ২০১৯ অনুষ্ঠানে এই কৃতিমান- সাহিত্যিককে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর তার সন্তুষ্টজনক সাহিত্য চর্চা ও লেখালেখির ফলশ্রতিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের গঠিত সাহিত্য-সাংস্কৃতির প্রসিদ্ধ সংগঠন “লুপ্ত-সুপ্ত সাহিত্য সম্প্রচার জয়গুরু-মহাগুরু সংস্থার” কর্তৃপক্ষগণ তাঁকে “সৈয়দা রাশিদা বারী- সাহিত্য স্বরসতী” উপাধীতে ভূষিত করেছে।
এছাড়াও সৈয়দা রাশিদা বারী গত ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ইং (স্থান: কবি জসীমউদ্দীন হল, ফরিদপুর) কবি জসীমউদ্দীন পুরস্কার ও স্বর্ণপদক- ২০১৯ লাভ করেন। গত ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯ইং (স্থান: দৈনিক সময়ের কাগজ, কুষ্টিয়া) সাহিত্য বিষারদ- ২০১৯ লাভ করেন।  গত ১২ ডিসেম্বর ২০২০ইং কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী পরিষদ থেকে ‘বঙ্গমৈত্রী’ পুরষ্কার (স্থান- নোয়াখালী সমিতি মিলনায়তন), গত ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ইং (স্থান: বিউটি বোর্ডিং) মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জেগে ওঠো বাংলাদেশ শ্লোগানের ‘কবি সংসদ বাংলাদেশ’ কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর কবিতা উৎসব আয়োজন ‘বঙ্গবন্ধু সাহিত্য’ পুরষ্কার ২০২১ইং লাভ করেন। কবি সৈয়দা রাশিদা বারী ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২১ইং (স্থান: মুজিবনগর আম বাগান, মেহেরপুর শিল্পকলা একাডেমী) বাংলাদেশ লেখক উন্নয়ন পরিষদ কর্তৃকও ‘বঙ্গবন্ধু সাহিত্য’ পুরষ্কার লাভ করেছেন, বঙ্গবন্ধুর উপরে একনিষ্ঠ সাহিত্য কর্ম ও গবেষণার জন্য।
এদিকে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার দাসবসী বাজারের ‘বি.কে.এম.এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ কর্তৃক বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বর্ষের শেষ ক্রান্তিকাল- গত ১৭ই মার্চ ২০২১ইং বঙ্গবন্ধুর শ্রদ্ধাঞ্জলী উজ্জাপন অনুষ্ঠানে এই অতুলনীয় গুণী কবি ও কথাশিল্পীকে তাঁর নানামুখী গুণের কদর করতে ‘জীবন্ত কিংবদন্তী সৈয়দা রাশিদা বারী’ উপাধিতে সম্মাননা স্মারক পদক ও ক্রেস্ট পুরস্কারে ভূষিত করছে। উক্ত জমকালো অনুষ্ঠানটি শুরু হয় বেলা ১০ঘটিকায় শিশুদের মধ্যে ২টিভাগে বিভক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধুর উপরে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায়। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় অষ্টম শ্রেণী হতে দশম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীগণ।
সৈয়দা রাশিদা বারী’র পিতা-ভাষাসৈনিক, ডাক্তার, শিল্পী, শিক্ষক – মরহুম সৈয়দ রফিকুল ইসলাম ওরফে সৈয়দ জালাল উদ্দিন ওয়াহেদ আলী (পুনু মিঞা) দেশমাতৃকার কাজে অল্প বয়সে ছাত্রবস্থায় ১৯৪৭ইং সালে বঙ্গবন্ধুর সাথে রাজনীতিতে জড়িয়ে কয়েকবার জেলে যান। তার মধ্যে একবার জেল কতৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু ও রফিকুলকে জেলের একই রুমের মধ্যে আটকিয়ে রেখেছিল! রফিকুল ১৯৫২ইং সালে ভাষা আন্দোলনেও প্রত্যক্ষ সৈনিক হওয়ায় জেলে যান এবং জেলে যাওয়ার দরুণ আই এস সি’র ফাইনাল পরীক্ষা দিতে পারেন নি। ১৯৫২ইং সালে তিনি জগন্নাথ কলেজে আইএসসি’র শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি ১৯৪৮ইং সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল হতে ফার্স্ট ডিভিশনে মেট্রিকুলেশন পাশ করেছিলেন। রফিকুল মিডফোর্ড হাসপাতাল (বর্তমান সলিমুল্লাহ কলেজ) হতে ডাক্তারীর উপরে এল এম এফ ডিপ্লোমা সেকেন্ড ইয়ার পর্যন্ত কৃতিত্তের সঙ্গে পাশ করেছিলেন। চোখের ভূল চিকিৎসার দুঃঘটনায় চোখের যতির সমস্যা হয়- ফলে ডাক্তারের নির্দেশ ক্রমে পড়াশোনা বন্ধ করতে বাধ্য হন। পরে শিশুদের মধ্যে দেশপ্রেম ও বাংলাভাষার শিক্ষা দিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতাকেই বেছে নেন। শিল্পী হিসাবে রফিকুল তার খালাতো বোনের ছেলে বিখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আনোয়ার উদ্দিন খানকে গান শিখিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু তার কণ্ঠে ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি; ও আমার দেশের মাটি তোমার পরে ঠেকাই মাথা; বাংলার মাটি বাংলার জল বাংলার বায়ু বাংলার ফল; ধন ধ্যনে পুষ্পে ভরা আমাদের এই বসুন্ধরা তাহার মাঝে আছে দেশ এক সকল দেশের সেরা, স্বার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে, যে তোমার ছাড়ে ছাড়–ক আমি তোমার ছাড়বো না মা, আজ বাংলাদেশর হৃদয় হতে কখন আপনি, আমার মিলেছি আজ মায়ের ডাকে ইত্যাদি গান শুনতে পছন্দ করতেন। তখনকার স্বাধীনতা আন্দোলনের সেমিনারেও রফিকুল এসব গান গেয়েছেন।
মাতা- মরহুম সৈয়দা রোকেয়া রফিক ওরফে সৈয়দা রোকেয়া জালাল (তোতা)। অত্যন্ত ইসলামিক মাইন্ডের- ধর্মভীরু ও একজন সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা। তিনি একজন দেশপ্রেমিক ও ভাষাসৈনিকের স্ত্রী এবং কথা-সাহিত্যিক শতাধিক  গ্রন্থের একক লেখক সৈয়দা রাশিদা বারী’র মা হওয়ায় স্বগর্বে গৌরবান ছিলেন। তিনি তাঁর স্বামী এবং সাহিত্যিক মেয়েকে নিয়ে গর্ব করতেন।
সৈয়দা রাশিদা বারী’র দুইজন পুত্র সন্তানই উচ্চশিক্ষিত এবং চাকুরি সূত্রে তারা সম্মানীয় আসনে অধিষ্ঠিত।
এই গুণী কথাসাহিত্যিক সৈয়দা রাশিদা বারী আল্লাহ ভক্তও। তিনি শিশুকাল থেকেই ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। কোরআন পড়েন। ইসলামের উপরে তাঁর রচিত কয়েকখানি গ্রন্থ আছে। ইসলামিক গান গজল হামদ নাতও রচনা করেছেন। তাই এই দিক থেকেও তিনি ভূয়সী প্রশংসা পাওয়ার দাবীদার। এই ১শতটি গ্রন্থের লেখক, রত্নগর্ভা কন্যা এবং রত্নাগর্ভা মা ৬টি উপাধীতে ভুষিত কুষ্টিয়ার মেয়ে সৈয়দা রাশিদা বারী। সৈয়দা রাশিদা বারী একজন নারী হয়েও যা করেছেন, নিঃসন্দেহে এটা শুধু কুষ্টিয়ারই অহংকার নয়, তাঁর অসাধারণ সৃষ্টি ও কর্ম বাংলাদেশ তথা বিশ্বের অহংকার অলংকার।
তাঁর বাকি ইচ্ছাগুলোর থেকে একটা ইচ্ছা যে তিনি চলমান ৩০টা বই এর কাজ শেষ হলে ২০২৪সাল নাগাত প্রিন্ট মিডিয়ার কাজ কমিয়ে ইলেকট্রিক মিডিয়ায় বেশি সময় দেবেন। নিজের পরিচালনায় ও ডিরেকশনে তিনি তার লেখা প্রথমে নাটক এরপর প্রহশন চুটকি টিকা নাটক টেলিফিল্ম এবং চলচিত্র তৈরির করবেন। এ ব্যাপারে কুষ্টিয়ার মেয়ে বিশিষ্ট সাহিত্যিক সৈয়দা রাশিদা বারী দেশ তথা বিশ্বের দরবারে বিশেষ করে তাঁর ভক্ত ও গুণগ্রাহীদের কাছে দোয়া প্রার্থী।
error: Content is protected !!