নিজস্ব প্রতিবেদক: কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে আবুহার মল্লিক নামে (৮০) বছর বয়সের এক ভিক্ষুককে পেটানোর দুই দিন পর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেই মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হলেও আসামি গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকাবসাী মানববন্ধন বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিকালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সদকী ইউনিয়নের ঘাসখাল বাজারে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে এলাকার ৫ শতাধিক নারী পুরুষ অংশ নেয়।

মানববন্ধনে সোহেল প্রামাণিকসহ একই এলাকার আলিফার ছেলে কামাল প্রামাণিক, বাহাদুরের ছেলে রাসেল, আলতাফের ছেলে আলামিনসহ আরও ৪/৫ জনে অজ্ঞাত আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দেয় ও আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান এবং আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান।

সোহেল প্রামাণিকসহ একই এলকার আলিফার ছেলে কামাল প্রামাণিক, বাহাদুরের ছেলে রাসেল, আলতাফের ছেলে আলামিনসহ আরও ৪/৫ জনে অজ্ঞাত আসামি করে গত শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) রাতে নিহতের নাতি শিপন মল্লিক কুমারখালী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর -২৪।
তবে এই মামলায় এখনও কাউ গ্রেফতার হয়নি বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত: গত সোমবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে আবুহার মল্লিক নিজ বাড়ির পাশে ক্রয়কৃত জমিতে ঘর নির্মাণ করার জন্য মাটি ফেলছিলেন এসময় দরবেশপুর গ্রামের মৃত সামছুদ্দিন ডিলারে ছেলে সোহেল প্রামাণিকের নেতৃত্বে মৃত আলিফার ছেলে কামাল প্রামাণিক, বাহাদুরের ছেলে রাসেল, আলতাফের ছেলে আলামিনসহ আরও ৪/৫ জন এসে আবুহার মল্লিককে ওই জমিতে মাটি ফেলতে নিষেধ করেন আবুহার মল্লিক নিষেধ উপেক্ষা করে মাটি ফেলায় মৃত সামছুদ্দিন ডিলারে ছেলে সোহেল প্রামাণিকের নেতৃত্বে মৃত আলিফার ছেলে কামাল প্রামাণিক, বাহাদুরের ছেলে রাসেল, আলতাফের ছেলে আলামিনসহ আরও ৪/৫ জন
তাকে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দিয়ে লাথি মারতে আরম্ভ করে এর পর অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পেটের ওপর বসে কিল, ঘুষি মারে এবং গলা চেপে ধরে গুরুতর আহত অবস্থায় রেখে দ্রুত চলে যায় তারা। এরপর স্বজনরা উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিয়ে গেলে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাক্তার চিকিৎসা শেষে ভর্তির পরামর্শ দেন এবং হাসপাতালে দুইদিন ভর্তির পর বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়িতে আসেন। বাড়িতে এসেই তিনি মারা জান।

error: Content is protected !!