নিজস্ব প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ ইউপি’র কাটদহতে (কাপড়ের হাটের পাশে) মা’কে খুন করে বাড়ির পাশের পুকুরে পুঁতে রেখেছিল ছেলে ও তার বন্ধু।
আজ থেকে ২৮ দিন আগে তারা এ হত্যাকান্ড সংঘটিত করে। এরপর পরপুরুষের হাত ধরে মা চলে গেছে বলে গুজব ছড়ায় ওই সন্তান ।
গতকাল গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা ছেলের বন্ধুকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে খুনের দায় স্বীকার করে এবং তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
ওই কুলাঙ্গার সন্তান মুন্নাকেও পুলিশ আটক করেছে। নিহত মহিলা পোড়াদহ দক্ষিণ কাটদহ (কাপড় হাটের পিছনে) গ্রামের ফজলের স্ত্রী মমতাজ। মাকে হত্যার এই ঘটনায় নির্বাক দেশের মানুষ। পাষন্ড ওই সন্তানের কঠোর শাস্তির দাবী করেছে এলাকাবাসী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় নিহত মমতাজ মাসখানেক ধরে নিখোঁজ ছিল। নিহতের জামাতা মিরপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী করার পরে কুষ্টিয়ার ডিবি পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে গতকাল রাব্বি নামে একজন আটক করে। পরে তার জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে প্রায় মাসখানেক আগে তার বন্ধুর মাকে খুন করেছে তারই আপন ছেলে মুন্না। পরে তার মায়ের লাশ বাড়ির পাশে পুকুরে মাটি খুড়ে পূঁতে রাখেন।
মঙ্গলবার দুপুরে তদন্ত সাপেক্ষে ও স্বীকারোক্তি মূলক কথায় ‍ঘটনাস্থল ডিবি পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের ওসি আমিনুল ইসলাম জানান মিরপুর থানায় মমতাজ নামে একজন নিখোঁজ হওয়া সাধারণ ডায়েরী হয়। এরপর তদন্ত সাপেক্ষে ডিবি পুলিশ রাব্বি নামে একজনকে আটক করে। পরে তার জিজ্ঞাসাবাদের পর নিহতের ছেলেকে আটক করে। আটকের পরই হত্যাকৃত মায়ের লাশের সন্ধান পান ডিবি পুলিশ। তার সন্তানই বন্ধুদের সাথে করে মাকে হত্যা করে লাশ বাড়ীর পাশে পুকুর ধারে পূঁতে রাখেন। পুলিশ ওই লাশ উদ্ধার করেছে।
উল্লেখ্য যে, চার বোনের মধ্যে টাকা ভাগ ভাগি করে। নিহত মমতাজও ভাগের অংশ পায়। ভাগের অংশ টাকা তার ছেলে তার কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে তাকে হত্যাকান্ড ঘটেছে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

error: Content is protected !!