রবিবার্তা ডেস্ক
কুষ্টিয়ায় ভাঙচুরকৃত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যস্থল পরিদর্শন করেছেন খুলনা বিভাগীয় পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি এ.কে.এম নাহিদুল ইসলাম। শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আরাফাতসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ভাস্কর্যস্থলে দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে কালো এবং জাতীয় পতাকা টাঙিয়ে দিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে পৌরসভার রাস্তা দিয়ে একটি ছাই রঙের মাইক্রোবাস এসে পাঁচ রাস্তার মোড়ে ভাঙচুরকৃত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যস্থলে থামে। এরপর গাড়ি থেকে ‘কমান্ডো স্টাইলে’ অস্ত্র হাতে কয়েকজন দুর্বৃত্ত নেমে সেখানে কালো এবং জাতীয় পতাকা টাঙিয়ে দিয়ে পর পর দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে দ্রুত গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ ঘটনায় আতঙ্কে স্থানীয়রা ছোটাছুটি শুরু করেন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের কাছেই রাস্তার ধারে পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিল।

সেখানে উপস্থিত পুলিশ লাইনসের উপপরিদর্শক (এসআই) মকছেদুর রহমান বলেন, বিকেল তিনটা থেকে তিনি ভাস্কর্যের সামনে পেশাগত দায়িত্বে ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেখানে একটি নোহা গাড়ি আসে। ওই গাড়ির ভেতর থেকে ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। গাড়িটিতে কোনো নম্বর প্লেট ছিল না। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়।

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসা অতিরিক্ত ডিআইজি এ.কে.এম নাহিদুল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য যারা ভেঙেছে তারাই এই গুলির ঘটনা ঘটিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে আঘাত দিয়ে দুর্বৃত্তরা আমাদের প্রাণে আঘাত করেছে। এদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। আইনি প্রক্রিয়ায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার গভীর রাতে কুষ্টিয়া শহরের পাঁচ রাস্তার মোড়ে পৌরসভার উদ্যোগে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের হাত ও মুখ ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা।

error: Content is protected !!