জাতিসংঘ-আফ্রিকা ইউনিয়নের হাইব্রিড মিশন দারফুর, সুদানে শান্তিরক্ষায় ‘কঠোর পরিশ্রম’ আর ‘অসাধারণ কর্মদক্ষতার’ স্বীকৃতি স্বরূপ ‘প্রশংসা সনদ’ পেলেন বাংলাদেশ ফর্মড পুলিশ ইউনিটের এডমিন অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী।

উনামিড মিশনে নিযুক্ত শান্তিরক্ষা মিশনের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার ড. সুলতান আজম তিমুরি আজ (২৫ ফেব্রুয়ারি) দারফুর এলফাশের লগবেইজড সুপারক্যাম্পে তার নিজস্ব কার্যালয়ে এই সনদ প্রদান করেন।

তপ্ত মরুভূমির বৈরি পরিবেশে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নূর-ই-আলম সিদ্দিকী সর্ববহৎ নিয়ালা সুপার ক্যাম্প, আল ফেশার ক্যাম্প, কুটুম ক্যাম্প এর নিরাপত্তা দক্ষতার সাথে প্রদান করেন। যথাযথ সিকিউরিটি প্রটোকল মেনে দুই দুই বার রিলোকেশনের চ্যালেঞ্জ স্বাচ্ছন্দ্যে  গ্রহণ করে নির্ভরতার পরিচয় দেন এডমিন এন্ড ডিউটি অফিসার নূর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক এই শিক্ষার্থীর স্থানীয় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে পরিচালিত”Income Generating Activities”, “সম্পদ ব্যবস্থাপনা” ধারণা উনামিড লিডারশিপ কর্তৃক ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ এফপিইউ এর কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল হালিম। তার পরিকল্পনায়  এবং ভিন্ন ভাষায় সাবলীল উপস্থাপনায় মঞ্চায়িত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভিনদেশীদের মাঝে বাংলা সংস্কৃতি প্রচারে কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে বলে পুলিশ সুপার হালিম জানান।

‘প্রশংসা সনদ’ প্রাপ্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর জানান, ‘চেষ্টা করেছি মিশন সংশ্লিষ্ট প্রতিটি কাজে বাংলাদেশ পুলিশের ইতিবাচক ইমেজ তৈরি করে শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সাক্ষী হতে। দীর্ঘ ২১ মাসের নিরলস পরিশ্রম, পেশাদারিত্ব আর দায়িত্ববোধের অর্জিত শিক্ষা বয়ে নিয়ে যেতে চাই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে। আজকের এই সনদ আর জাতিসংঘের শান্তি পদক প্রাপ্তি প্রেরণা জোগাবে বাংলাদেশ পুলিশের অগ্রযাত্রায় সামিল হতে।”

উল্লেখ্য, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই-আলম সিদ্দিকী মিশনে গমনের পূর্বে কুষ্টিয়া ভেড়ামারা সার্কেলে কর্মকালীন বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উন্মোচন করে কুষ্টিয়াবাসীর কাছে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছিলেন।

error: Content is protected !!