সাইহাম সালাম, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : হাটহাজারীর মারকাযুল কুরআন ইসলামিক একাডেমির শিক্ষার্থী ইয়াসিন ফরহাদকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে মাদ্রাসার শিক্ষক ইয়াহিয়া। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর আজ বিকেলে তাকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শিশু ইয়াছিন নির্যাতনের ঘটনায় তার অভিভাবক মামলা করতে রাজি হয়নি। পরে পুলিশ বাদি হয়ে শিক্ষক ইয়াহিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করে। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি বলেন, ‘মারকাযুল কুরআন একাডেমির হেফজ বিভাগের ছাত্র ইয়াছিন ফরহাদকে নির্যাতনের বিষয়টি জানতে পেরে মাদ্রাসায় গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করি। এ ঘটনায় শিশুটির অভিভাবকদের বুধবার (১০ মার্চ) দুপুর পর্যন্ত মামলা দায়েরের জন্য অনুরোধ করা হয়। তারা মামলা করতে রাজি হননি। এমন বর্বর নির্যাতনের ঘটনায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। ফলে নির্যাতনকারী মাদ্রাসাশিক্ষক হাফেজ ইয়াহিয়ার বিরুদ্ধে পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দায়েরের উদ্যোগ নিয়েছে।’

হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, শিশু নির্যাতনকারী শিক্ষক ইয়াহিয়াকে রাঙ্গুনিয়া থানার সরফভাটা থেকে গ্রেপ্তার করে হাটহাজারীতে নেওয়া হয়েছে। এর আগে তাকে মাদ্রাসার শিক্ষক পদ থেকে বহিস্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (৯ মার্চ) মা-বাবার সঙ্গে বাড়ি যেতে চাওয়ায় হাটহাজারী উপজেলার মারকাযুল কুরআন ইসলামিক একাডেমিক মাদ্রাসায় শিশু ইয়াছিনকে বর্বর অমানবিক নির্যাতন চালায় মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক ইয়াহিয়া। নির্যাতনের সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা ভাইরাল হয়ে যায়।

error: Content is protected !!