মোক্তার হোসেন, পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি ॥ রাজবাড়ী জেলার পাংশায় ৭ বছরের শিশু কন্যাকে জোর পূর্বক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার হাবাসপুর ইউপির চরঝিকড়ী গ্রামে গত সোমবার ১২ জুলাই দুপুর দেড়টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। পাংশা মডেল থানা পুলিশ ঘটনার রাতেই অভিযান চালিয়ে মামলার আসামী মুন্নাফ শেখ (৫৫) কে গ্রেফতার করেছে। ধৃত আসামী মুন্নাফ শেখ হাবাসপুর ইউপির চর ঝিকড়ী গ্রামের মৃত শুকুর আলী শেখের ছেলে। আসামী মুন্নাফ শেখ এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক। পেশায় ভ্যান চালক। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদি হয়ে পাংশা মডেল থানায় মুন্নাফ শেখের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। মামলা নং ৫, ধারা- ৯(১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (সংশোধনী ২০০৩)।

জানা যায়, ভিকটিমের পরিবার ও আসামীর বাড়ি পাশাপাশি। গত সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে খেলাধুলা করে বাড়ি ফেরার পথে আসামী মুন্নাফ শেখের বসতবাড়ির উঠানে পৌঁছালে মুন্নাফ শেখের বসত বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সে পিছন দিক থেকে শিশুটির জাপটে ধরে নিজ বসতঘরের শয়ন কক্ষের মধ্যে নিয়ে ঘরের দরজা আটকে দেয়। তারপর মুন্নাফ শেখ শিশু কন্যার মুখ চেপে ধরে পড়নের পাজামা খুলে জোরপূর্বক শিশুটিকে ধর্ষণ করে। প্রতিবেশী এক নারী মুন্নাফ শেখের বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মুন্নাফ শেখের বসতঘরের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও গোংরানির শব্দ শুনে জানালা দিয়ে শিশু কন্যার ধর্ষণ করতে দেখে ডাক-চিৎকার করলে আসামী মুন্নাফ শেখ শিশু কন্যাকে ছেড়ে দিয়ে বসত ঘরের দরজা খুলে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজন ভিকটিমকে উদ্ধার করে পাংশা হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভিকটিমকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পাংশা মডেল থানার এসআই হুমায়ুন রেজার নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ ঘটনার রাতেই আসামী মুন্নাফ শেখকে গ্রেফতার করেছে। এসআই হুমায়ুন রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

error: Content is protected !!