রাজবাড়ী প্রতিনিধি : ২০০২ সালের ১১ ডিসেম্বর রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামনগর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় ভাঙারি ব্যবসায়ী আহম্মেদ আলী মোল্লার। মৃত্যুর ৮ দিন পর আদালতে হত্যা মামলা করেন তার ভাই মোহাম্মদ আলী। ওই মামলায় মৃত আহম্মেদ আলী মোল্লার স্ত্রী মমতাজ বেগমসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়।

২০০৮ সালের ১০ আগস্ট রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক বেলায়েত হোসেন নিহতের স্ত্রী মমতাজ বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়।

তবে মামলার পর থেকেই পলাতক ছিলেন মমতাজ বেগম। বিচার প্রক্রিয়া শেষে রায় ঘোষণা হলেও পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন তিনি। স্বামী হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৯ বছর পর অবশেষে দণ্ডিত মমতাজ বেগমকে গ্রেফতার করেছে রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মাজদিয়ার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার ক‌রা হয়। মমতাজ রাজবাড়ী সদর উপজেলার রামনগর গ্রামের আব্দুল হাকিমের মেয়ে।

রাজবাড়ী সদর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা জেলার বেগমপুর গ্রামের ভাঙারি ব্যবসায়ী আহম্মেদ আলী মোল্লার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মমতাজ বেগমের। বিয়ের পর মমতাজ বেগম স্বামীকে নিয়ে তার বাবার বাড়ি রামনগর গ্রামেই বসবাস করতেন। এর মধ্যেই ২০০২ সালের ১১ ডিসেম্বর স্বামী আহম্মেদ আলী মোল্লার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়।

রাজবাড়ী সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিরন কুমার বিশ্বাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে মমতাজ বেগমকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

error: Content is protected !!