রবিবার্তা ডেস্ক : কুষ্টিয়া ডায়াবেটিক সমিতি ও মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ডায়াবেটিক হাসপাতালে বর্ধিত অংশের উন্নয়ন ও অত্যাধনিক ল্যাবরেটরি উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ হাসপাতাল প্রাঙ্গনে উদ্বোধনের পূর্বে এক আলোচনা সভা হয়। বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রিয় পরিচলনা পরিষদের সদস্য কুষ্টিয়া ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি মতিউর রহমান লাল্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামীরীগের কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, কুষ্টিয়া ডায়াবেটিক সমিতি ও মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ডায়াবেটিক হাসপাতাল ডায়াবেটিস রোগীদের কল্যাণে নিবেদিত একটি সামাজিক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। বৃহত্তর কুষ্টিয়া অঞ্চলের ডায়াবেটিস রোগীদের দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সঙ্গে সেবা প্রদান করে এ অঞ্চলের একটি অন্যতম চিকিৎসা সেবা প্রদান প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। নিয়মিত অসহায় দরিদ্র মানুষের সেবা দিচ্ছে কুষ্টিয়া ডায়াবেটিক সমিতি। আর এ জন্য তিনি প্রতষ্ঠানটির সভাপতি মতিউর রহমান লাল্টু ও সাধারণ সম্পাদক মোশফিকুর রহমান টরলিনের ভ’য়সী প্রশংসা করেন। হাসপাতাল চত্বরে অনুষ্ঠানের পূর্বে তিনি সাংবাদিক দের বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের ১২০ পার্সেন্ট হা না ভোটের কথা জাতি যখন ভোলেনি, তখন নির্বাচনের প্রতারণা নিয়ে কিভাবে কথা বলে বিএনপি’ এমন মন্তব্য করে আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে যাদের আমলনামায় এমন অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে তারা কি করে অন্যের সমালোচনা করে তা বোধগম্য নয়। হানিফ বলেন, জনবিচ্ছিন্ন বিএনপির লক্ষ্য একটাই। তারা যে কোন নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে নানান কথাবার্তা বলে পরাজয়ের লজ্জা লুকাতে চান। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোর থেকে তেলাওয়াত করা হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া ডায়াবেটিক সমিতি ও মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ডায়াবেটিক হাসপাতালের সাধারণ সম্পাদক মোশফেকুর রহমান টরলিন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিক, ডা.উত্তম কুমার বড়–য়া, কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ এ এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম, ব্যারিষ্টার তুরিন আফরোজ, এইচ রহমান মিলু, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, জেলা বিএমএ’র সভাপতি ডাক্তার মুসতানজিদ, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবু তৈয়ব বাদশা, বঙ্গবন্ধু মহিলা পরিষদ নেত্রী নিলুফার রহমান এ্যানি প্রমুখ। আলোচনা শেষে উদ্বোধন করা হয় বর্ধিত অংশে ২০ শয্যার দুটি ওয়ার্ড. কেবিন, ডক্টরস চেম্বার ও একটি অত্যাধনিক ল্যাবরেটরি।

error: Content is protected !!