কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে মাদক সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে ফামিদ (৪০) নামে এক মাদক চোরাকারবারীকে গলা কেটে হত্যা করেছে সৎ ভাইকে মিলন।
রোববার (০৪ এপ্রিল) সকাল ৮টার সময় উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্ত সংলগ্ন জামালপুর গ্রামে হত্যাকান্ডের এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফামিদ জামালপুর গ্রামের আব্দুস ছাত্তার ওরফে নান্দু ডাকাতের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, সীমান্তের শীর্ষ মাদক চোরাকারবারী ও সন্ত্রাসী ফামিদ সকালে নিজ বাড়ির পাশে এনামুলের দোকানে বসে চান পান করছিল। এসময় পেছন থেকে সৎভাই মিলন ধারাল হাসুয়া দিয়ে ফামিদের গলায় কোপ দিলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে মিলন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহত ফামিদের লাশ উদ্ধার করে।
হত্যাকান্ডের বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) শাহাদত হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করেছে সৎভাই মিলন। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং মিলনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য. সীমান্তের শীর্ষ মাদক চোরাকারবারী ও সন্ত্রাসী ফামিদ হত্যা মামলায় ভারতে ১৪ বছর কারাভোগের পর ২০১৯ সালে দেশে ফিরে আবারও মাদক ব্যবসা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে একাধিক ধর্ষনের অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী অতীষ্ট ছিল। তাকে ধরতে পুলিশ একাধিকবার সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ব্যর্থ হয়।

error: Content is protected !!