নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ‘আমার গ্রাম হোক আমার শহর’ : আধুনিক নগর সুবিধা সম্প্রসারনের লক্ষ্যে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিই আমাদের মূল দর্শন। আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর গ্রামীণ জীবনকে সমৃদ্ধ করতে গ্রামাঞ্চলকে মানসম্মত বৈদ্যুতিকীকরণ, কুটির শিল্পসহ সম্ভাবনাময় সকল শিল্পের বিকাশ, শিক্ষা, যোগাযোগ-ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ নাগরিক জীবনের আমূল পরিবর্তন সাধনে প্রাসঙ্গিক কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণকরত: গ্রামকে শহরে উন্নীত করার সরকার ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। লক্ষ্য অর্জনে পদ্মা-গড়াই বেষ্টিত ছ্ট্টো ভু-খন্ডকে সকল প্রকার বিপর্যয় থেকে রক্ষা করে নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিত করা হবে। সমধিক গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনিয়নের ইতিহাস, ঐতিহ্য, শিল্প ও সাংস্কৃতিক অস্তিত্ব সংরক্ষনে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কৃতিত্বপূর্ণ অবদান প্রতিষ্ঠায় যাঁরা আছেন তাদের মর্যাদা সুরক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বহুমাত্রিক তৎপরতায় থাকবে শিক্ষা সম্প্রসারণ, কৃষি ও অকৃষি খাতে দক্ষ জনবল বাড়াতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা-প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি, প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণ, গ্রামাঞ্চলে আর্থিক সেবা খাতের পরিধি বিস্তার, কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, গ্রামীণ অবকাঠামো ও যোগাযোগ-ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে প্রকৃত অর্থে গ্রামোন্নয়ন প্রয়াসকে ত্বরান্বিত করা হবে। লক্ষ্য অর্জনে গৃহীতব্য পরিকল্পনায় থাকছে- উন্নত রাস্তাঘাট, যোগাযোগ, সুপেয় পানি, আধুনিক স্বাস্থ্য সেবা ও সুচিকিৎসা, মানসম্পন্ন শিক্ষা, উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থা বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করণ। একুশে পদক প্রাপ্ত দেশ বরণ্যে গীতিকার ও সুরকার কবি, হরিপুরের কৃতি সন্তান কবি আজিজুর রহমান স্মৃতি রক্ষার্থে আধুনিক শিক্ষার মানদন্ডে একটা কলেজ করার পাশাপাশি ও কবি আজিজুর রহমান মিউজিয়াম। ‘তারুণ্যের শক্তি বাংলাদেশের সমৃদ্ধি’ শ্লোগানের অংশ হিসেবে উন্নয়নের অংশীগ্রহণ হবে তরুণ যুবসমাজ : হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশই যুবসমাজ, এরাই হবে ‘সোনার বাংলা’র স্বপ্ন বাস্তবায়নে টেকসই উন্নয়নের দর্শন লালিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রধান সৈনিক। এদের সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল এবং উৎপাদনমুখী শক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাদকমুক্ত যুবসমাজ প্রতিষ্ঠা।
বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাকরির দক্ষতা বিষয়ক বিভিন্ন সেমিনার অংশগ্রহণের সুব্যবস্থা।
উন্নয়ন অভিযাত্রায় নারীর অংশীদারিত্ব: ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষিত নারী সদস্যদের মধ্যে বিবদমান বৈষম্য বিলোপসহ দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন। দারিদ্র্য বিমোচন ও বৈষম্য হ্রাসকরণে সামাজিক সুরক্ষাসহ শিক্ষা উপবৃত্তি, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি, বয়স্ক ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তাদের ভাতা, একটি বাড়ি একটি খামার, আশ্রয়ণ প্রকল্প, কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি, দুধ মাতাদের জন্য খাদ্য (ভিজিডি), চর জীবিকায়নসহ অবহেলিত জনগোষ্ঠীর আবাসিক সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নেয়া হবে। গরিব, বঞ্চিত, অবহেলিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। অতি দারিদ্র্যপীড়িত পরিবারগুলির খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। কোন প্রকার রেষারেষি বা প্রতিহিংসা নয় সকল কিছুর উর্ধ্বে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা। প্রতিটি নাগরিকদের কোন ভোগান্তি ছাড়াই সহজলভ্য নাগরিক অধিকারের ব্যবস্থা। ন্যায় বিচার প্রাপ্তি শক্তিশালী করণ। এছাড়াও বিশেষ সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মর্যাদাপূর্ন সামাজিক জীবন প্রতিষ্ঠায় যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হবে।
উল্লেখিত বিষয়গুলি কোন অলীক কল্পনা নয়; সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বুদ্ধি মেধা প্রজ্ঞা ও যোগ্যতার সমন্বয়সহ ইউনিয়নবাসীর নাগরিক অঙ্গিকার থাকলে এর সবগুলিই সফল বাস্তবায়ন সম্ভব। অথচ এখানে সবরকম সম্ভাবনা থাকার পরও বিগত ২০বছর ধরে ইউনিযনটি উন্নয়ন বঞ্চিত হওয়ায় এখানকার নাগরিক জীবন স্থবির হয়ে আছে। আগামীতে এর অবসান হবে কি না সেটা নির্ভর করছে ইউনিয়ন বাসীর মূল্যবান নৈতিক সিদ্ধান্তের উপর।
আপনার সুচিন্তিত মতামত একটা আর্দশ ইউনিয়ন গড়তে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে এমনটাই বিশ্বাস আমাদের।
শুভকামনা, দোয়া ও সমর্থন কামনায়।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।
সাংবাদিক মোঃ হাসান আলী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র।
সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী।
ঐতিহ্যবাহী কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচিত নির্বাহী সদস্য।
জেলা প্রতিনিধি বাংলাভিশন টেলিভিশন, দেশ রুপান্তর, বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.