মোংলা প্রতিনিধি : মোংলায় পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই ভাইকে মারদরের ঘটনার মামলার প্রধান আসামী ইউপি মেম্বার সুলতারসহ ৪জনকে আটক করেছে র‌্যাব। রোববার রাতে তাদের মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সোমবার সকালে আটককৃতদের আদালতের মধ্যেমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। তবে সুলতার মেম্বার পরিবারের সদস্যদের দাবী, ইউপি নির্বাচনে হেরে গিয়ে প্রতিপক্ষ পরাজিত প্রার্থীর কুট-কৌশলে তাদের লোকজনের বিভিন্ন রকম ষরযন্ত্র মুলক কার্যকলাপেরই এ ঘটনার শুত্রপাত।
আটককৃত সুলতার মেম্বারছাড়াও অপর তিনজন হলেন কানাইনগর এলণাকার খোকন ঘোষাল (৩০), বেল্লাল খাঁ (৪৫) ও মোঃ নিয়ামুল ব্যাপারী (৩০)। দুই সহদরকে মারধরের ঘটনায় মোংলা থানায় একটি মামলা দায়ের হয় মোংলা থানায়। এ মামলায় জামিন নেয়ার জন্য আদালতে যায় ইউপি মেম্বার সুলতার সহ তার সাথে থাকা অভিযুক্তরা। এ নিয়ে সোসাল মিডিয়ায় বিভিন্ন লেখা-লেখী ভাইরাল করে প্রতিপক্ষ নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীর লোকজন। মামলার সুত্রধরে রবিবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় র‌্যাবের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিক্তিতে বাগেরহাট সদরের ষাটগম্বুজ মসজিদ এলাকা থেকে এই চার আসামীকে গ্রেফতার করে। সোমবার (১৮ এপ্রিল ) সকালে র‌্যাব-৬ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মামলা সুত্র থেকে জানা যায়, শনিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে মোংলা পোর্ট পৌরসভার শহরের বাংলাদেশ হোটেলের সামনে থেকে বিনোদ সরকার ও বিপস্নব সরকার নামে দুই ভাইযের সাথে টাকা লেনদেন নিয়ে কথা কাটাকাটী হয়। সেখান থেকে তাদের মিট মিমাংশা করার জন্য সিঙ্গাপুর মার্কেটে মেম্বার পুত্র জাকির হোসেন এর দোকান ঘরে নিয়ে যায। সেখানে তাদের মারধর করে বলে উল্লেখ করা হয়। পরে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয় দুই ভাই বিনোদ সরকার ও বিপস্নব সরকারকে। এঘটনায় শনিবার রাতে ভাই কুমুদ সরকার বাদী হয়ে মেম্বার সুলতান হাওলাদার তার ছেলে জাকির হাওলাদার ও কালাম হাওলাদারসহ ১৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ মনিরুল ইসলাম জানান, চাদপাই ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড কানাইনগর এলাকায় একটি ঘটনা নিয়ে থানায় মামলা হয়েছে। ওই দিন রাতেই জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে সেদিনই জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
এ মামলার সুত্রধরে ৪ আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬ এর সদস্যরা। রাতে তাদের মোংলা থানায় হস্তান্তর করলে সোমবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানায় থানার এ কর্মকর্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.