মোক্তার হোসেন, পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি ॥ রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও পাংশা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. জালাল উদ্দিন বিশ্বাসের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ও গুলি চালিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদে সোমবার (৩০ মে) বিকেলে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল ৫টায় পাংশা শহরের কালিবাড়ি তিন রাস্তা মোড়ে পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনসমূহ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও পাংশা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. জালাল উদ্দিন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাছপাড়া ইউপির বারবার নির্বাচিত জনপ্রিয় চেয়ারম্যান খোন্দকার সাইফুল ইসলাম (বুড়ো) বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যের মধ্যে পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওহাব মন্ডল, পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক লাবলু বিশ্বাস, বাবুপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান ইমান আলী সরদার, সরিষা ইউপির চেয়ারম্যান আজমল আল বাহার বিশ্বাস, যশাই ইউপির চেয়ারম্যান আবু হোসেন খান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নাজমুল হাকিম রুমী, পাংশা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. শাহিদুল ইসলাম মারুফ ও পাংশা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কামাল আল মামুন প্রমূখ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, গত শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে সন্ত্রাসীরা পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও পাংশা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. জালাল উদ্দিন বিশ্বাসের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ও গুলি চালিয়ে তাকে হত্যার প্রচেষ্টা চালায়। তিনি ঘটনার রাতে বাড়িতে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। কিন্তু তার পরিবারের লোকজন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় আতঙ্কিত। ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনি আওতায় এনে বিচার দাবী করেন নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা আরও বলেন, রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিল্লুল হাকিম এমপি রাজবাড়ী-২ আসনের উন্নয়নের রূপকার। তার নেতৃত্বে এলাকায় আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত হয়েছে এবং আশিক মাহমুদ মিতুল হাকিম হচ্ছেন- আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক কর্মকান্ড জোরদার করণের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব। বীর মুক্তিযোদ্ধা জিল্লুল হাকিম এমপি এবং আওয়ামী লীগ নেতা আশিক মাহমুদ মিতুল এলাকায় উন্নয়ন চায়, এলাকায় শান্তি চায়। আমরাও এলাকায় উন্নয়ন চাই, শান্তিতে থাকতে চাই। যারা এলাকায় অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে, যারা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে উন্নয়ন কর্মকান্ড বাধাগ্রস্ত করবে তাদের প্রতিহত করতে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ। প্রতিবাদ সভায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.