নিজস্ব প্রতিবেদক : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, সংস্কৃতি চর্চা বেগবান হলেই কেবল এই শিল্পকলা একাডেমি নির্মাণ করা সার্থক হবে।

আমরা যদি সংস্কৃতির চর্চার করি তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উন্নত করতে পারব। নতুন প্রজন্মকে সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। তাহলে মাদক ও জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছি। দেশের স্বাধীনতা অর্জনে সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকা ছিল।

সোমবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির নতুন ভবন প্রাপ্তি উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম সরোয়ার জাহান বাদশা, তারিক হাসান এসোসিয়েটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারিক হাসান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সদর আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, কুষ্টিয়ায় এই দৃষ্টিনন্দন শিল্পকলা একাডেমি আমাদের জন্য অবিশ্বাস্য ছিল। কারণ দেশের সব জেলায় একই রকমের করে থাকে। কিন্তু আমি চেষ্টা করেছিলাম এবং সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরকে অনুরোধ করেছিলাম ব্যতিক্রম কিছু হোক। অবশ্য ভালো কিছু হোক এটাও চেয়েছিলেন নূর সাহেব। ঢাকার পরেই কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি। স্থাপত্যশৈলীর জন্য প্রকৌশলী তারিক হাসান এবং তৎকালীন মন্ত্রী নূরকেও ধন্যবাদ জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে হানিফ বলেন, শেখ হাসিনা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করে আসছেন। আগামী ২০৩১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে নিয়ে যাবে। গোটা জেলার উন্নয়ন হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কারণে।

স্বাগত বক্তব্যে কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম বলেন, আজকের এই দিনটির জন্য আমাদের ৫০ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। দীর্ঘদিন পর এই শিল্পকলা একাডেমির স্বপ্ন পূরণ হয়েছে আসাদুজ্জামান নূরের সহযোগিতায়। আমরা কুষ্টিয়ায় গড়াই নদীতে সেতু পেয়েছি, মেডিকেল কলেজ পেয়েছি, অত্যাধুনিক সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স পেয়েছি। স্টেডিয়ামে পেতে যাচ্ছি। এটা কেবল সম্ভব হয়েছে এমপি হানিফের কারণে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক হাজী রবিউল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *