মোক্তার হোসেন, পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি ॥ রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও পাংশা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. জালাল উদ্দিন বিশ্বাসকে নিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচার চালিয়ে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার কারণে তিনি নিজে বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় জিডি করেছেন। জিডি নং ৩৯৮, তারিখ ১০/০৬/২০২২ ইং।

এ প্রসঙ্গে শনিবার ১১ জুন বিকেলে পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জালাল উদ্দিন বিশ্বাস স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এক বিবৃতিতে বলেন, “আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ২৯ জুন আমাকে পাংশা পৌরসভার কুড়াপাড়া মৌজার খতিয়ান নং বিএস-০৩ দাগ নং ৩২৪, জমির পরিমান ২১৭৮ বর্গফুট (৫ শতাংশ) জমি রাজবাড়ী জেলা পরিষদ ইজারা প্রদান করে। যার লিজ মূল্য ৩১ হাজার ৩৬৩ টাকা। পরবর্তীতে রাজবাড়ী জেলা পরিষদ একই খতিয়ানের জমি জনৈক মাসুদ মিঞার অনুকূলে ৩ হাজার ৮৩৪ টাকায় ১৫/১১/২০২১ তারিখে লিজ প্রদান করে। যেহেতু জমি আমাকে আগে ইজারা দিয়েছে, আমি সেখানে প্রায় ২ লাখ টাকার মাটি ভরাটসহ কিছু কাজ করি। কাজ করার পর মাসুদ মিঞা ও তার স্ত্রী ওই জমি দাবি করেন। আমি ঝামেলা এড়াতে রাজবাড়ী জেলা পরিষদে সমাধানের লক্ষ্যে বৈঠকে বসি। ২০২১ সালের ১৪ ডিসেম্বর সেখানে বৈঠক হয়। উক্ত বৈঠকে তৎকালীন রাজবাড়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকীর আব্দুল জব্বার, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মানিকহার রহমান, জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার ইমরান ও জেলা পরিষদের সদস্য অমিসহ মাসুদ মিঞার স্ত্রী লাকি খাতুন, তার বড় ভাই তোফায়েল ও ছোট ভাই ফিরোজ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা আমাকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে ঐ দাগের পূর্বপাশে সমপরিমান জমি আমাকে বুঝিয়ে দিবেন বলে জেলা পরিষদ ঘোষণা দেয়। ডিসেম্বরের ১৯ তারিখে উক্ত মহিলা জেলা পরিষদের নির্বাহীর রুমে আমাকে টাকা পরিশোধ করেন। পরবর্তীতে আমাকে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করার জন্য কুচক্রিমহল ওই মহিলার কথা রেকর্ড ও এডিটিং করে টিকটকে ও ফেসবুকে ছাড়েন।” জালাল উদ্দিন বিশ্বাস তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে মিথ্যা অপপ্রচার ছড়ানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। আইনগতভাবে প্রতিকারের জন্য পাংশা মডেল থানায় জিডি করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.